রাশেদ হোসেন সিলেটের একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে গণিত পড়ান। সংখ্যা নিয়ে তাঁর স্বাভাবিক আগ্রহ থেকেই একদিন মাথায় আসে — ক্রিকেট বেটিংয়েও কি সংখ্যার হিসাব কাজে লাগানো যায়? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই তিনি jili9-এর বিশ্লেষণ বিভাগের সাথে পরিচিত হন।
"আমি ক্রিকেটকে একটা গণিতের সমস্যার মতো দেখি। প্রতিটি ম্যাচে ভেরিয়েবল আছে — পিচ, আবহাওয়া, দলের ফর্ম, টসের সিদ্ধান্ত। jili9-এর ডেটা সেই ভেরিয়েবলগুলো বুঝতে সাহায্য করে।"
— রাশেদ হোসেন, সিলেট
IPL শুরুর দুই সপ্তাহ আগে থেকেই রাশেদ প্রস্তুতি শুরু করেন। প্রতিটি দলের গত দুই মৌসুমের হোম ও অ্যাওয়ে পরিসংখ্যান, শীর্ষ ব্যাটসম্যান ও বোলারদের ফর্ম এবং ভেন্যু অনুযায়ী স্কোরিং প্যাটার্ন নোট করেন। তারপর jili9-এ নির্দিষ্ট বাজার বেছে বেট ধরা শুরু করেন।
কোন বাজারে বেট ধরতেন রাশেদ?
রাশেদ সরাসরি ম্যাচ উইনারের বদলে বেশি মনোযোগ দিতেন টোটাল রান, প্রথম ইনিংস স্কোর এবং শীর্ষ রানকারীর মতো নির্দিষ্ট বাজারে। তাঁর মতে এই বাজারগুলোতে পরিসংখ্যানের প্রভাব বেশি এবং অনিশ্চয়তা কম।
jili9-এ এই ধরনের বিশেষায়িত বাজার সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। ম্যাচের আগে এবং ম্যাচ চলাকালীন — দুটো সময়েই বেট ধরার সুযোগ থাকে। রাশেদ সাধারণত ইনিং শুরুর প্রথম পাঁচ ওভার দেখে লাইভ বেটে সিদ্ধান্ত নিতেন।
সাত সপ্তাহে যা অর্জন করলেন
IPL মৌসুমের সাত সপ্তাহে রাশেদের মোট ৪৩টি বেটের মধ্যে ২৮টি সফল হয় — সাফল্যের হার প্রায় ৬৫%। নেট ROI দাঁড়ায় +৫৪%, যা তাঁকে পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো IPL মৌসুম দিয়েছে। jili9-এর VIP পয়েন্ট জমিয়ে তিনি গোল্ড স্তরে উন্নীত হন এবং পরের মৌসুমে প্লাটিনামের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন।